HSC Civics Assignment 2021 Answer with pdf

hsc assignment 2021 Civics : আজ তোমাদের সাথে এইচএসসি 2022 সালের পরীক্ষার্থীদের 2021 সালের পৌরনীতি এবং সুশাসন অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কে আলোচনা করব। মূলত আজকে আমরা তোমাদের hsc assignment 2021 Civics Answer দিব। তোমরা আমাদের এই ওয়েবসাইটে পরবর্তী hsc assignment 2021 এর উত্তর পাবে।

hsc assignment 2021 Civics 2nd week solution:

রচনার বিষয়: ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকারের বিকাশ:
লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপট হিসেবে বঙ্গভঙ্গ, মুসলিম লীগ এবং দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর একটি নিবন্ধ লিখ।

সম্পূর্ণ উত্তর পিডিএফ আকারে পাবে এখানে:hsc assignment 2021 Civics 2nd week solution


পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় সপ্তাহের শিখনফল:
বঙ্গভঙ্গের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে পারবে।
১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের কারণ ও তার প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করতে পারবে।
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে পারবে।
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে।
দ্বিজাতিতত্ত্বের তাৎপর্য মূল্যায়ন করতে পারবে।
লাহোর প্রস্তাবের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারবে। লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে।

পৌরনীতি এবং সুশাসন একটি জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।। আমাদের সুশাসন এবং পৌরনীতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে রাষ্ট্র সঠিকভাবে এগিয়ে যাবে। আজ আমরা নাগরিক সভ্যতার ক্রমবিকাশে পৌরনীতি ও সুশাসন এর ধারণা বিশ্লেষণ করবো।

hsc assignment 2021 Civics 1st week solution:

নাগরিক সভ্যতা ও ক্রমবিকাশে পৌরনীতি এবং সুশাসনের ধারণা

পৌরনীতির ধারণা:

পৌরনীতি সামাজিক ও নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। পৌরনীতির শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Civics । Civics শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Civis এবং Civitas শব্দ থেকে এসেছে। Civis এবং Civitas শব্দের অর্থ যথাক্রমে নাগরিক (Citizen) ও নগররাষ্ট্র (City State)। সুতরাং Civics বা পৌরনীতি হল নগর রাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের আচার-আচরণ, রীতিনীতি ও কার্যাবলি সংক্রান্ত বিজ্ঞান। তবে প্রাচীনকালে ভারতবর্ষে এবং গ্রীসে পৌরনীতি বলতে নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্যকে বোঝানো হতো।

সংস্কৃত ভাষায় নগরকে (City) ‘পুর’ বা ‘পুরী’ এবং নগরে বসবাস কারীদেরকে ‘পুরবাসী’ বলা হয়। যার জন্য নাগরিক জীবনের অপর নাম ‘পৌর জীবন’ একং নাগরিক জীবনের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত বিদ্যার নাম পৌরনীতি।

আধুনিক জাতি, রাষ্ট্রে নাগরিকদের ভূমিকা, আচার-আচরণ এবং তাদের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পর্যালোচনার মাধ্যমে যে শাস্ত্র জ্ঞান দান করে, তাকেই পৌরনীতি বলে।

সুশাসনের ধারণা:

সুশাসন হলো পৌরনীতির সাম্প্রতিক সংযোজন। সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Good Governance। সুশাসনকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হলে শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। Governance। হল একটি বহুমাত্রিক ধারণা যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ, ক্ষেত্র এবং প্রেক্ষাপট থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। Government এর মতই Governance। শব্দটি এসেছে ‘Kubernao নামক ল্যাটিন শব্দ থেকে, যার অর্থ পরিচালনা করা। সাধারণত Governance বা শাসন এমন একটি পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সংস্থা, সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন। ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে প্রথম সুশাসন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল− (র) দায়িত্বশীলতা স্বচ্ছতা আইনী কাঠামো ও  অংশগ্রহণ।

পৌরনীতি হল নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। রাষ্ট্র ও নাগরিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াগুলো এখানে বিবৃত হয়। সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে, জনগণের কল্যাণে শাসনকার্য পরিচালনার নাম হচ্ছে সুশাসন। গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সরকার এবং জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করাই মূলত পৌরনীতি ও সুশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

hsc assignment 2021 civics উত্তরটি ভিডিও আকারে দেখে নাও:

hsc assignment 2021 civics

পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি:

পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি বিস্তর। পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি সম্পর্কে এখন আমরা আলোচনা করবো:

১। নাগরিকতা বিষয়ক ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের উত্তম জীবন প্রতিষ্ঠা করা পৌরনীতি ও সুশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য, সচেতনতা, সুনাগরিকতা, নাগরিকতার অর্থ ও প্রকৃতি, সুনাগরিকের গুণাবলি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।

২। মৌলিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত ঃ মানব ইতিহাসে পরিবার হল আদি ও অকৃত্রিম প্রতিষ্ঠান। কালের বিবর্তন ধারায় পরিবারের সম্প্রসারণ হয়েছে এবং গড়ে উঠেছে রাষ্ট্র ও অন্যান্য বহু সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ প্রভৃতি মৌলিক প্রতিষ্ঠান পৌরনীতি ও সুশাসনের অন্তর্ভূক্ত।

৩। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা ঃ পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের ধারণা, রাষ্ট্রের উৎপত্তি, রাষ্ট্রের কার্যাবলি, রাষ্ট্রের উপাদান, সংবিধান, সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, সরকার, সরকারের শ্রেণিবিভাগ, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ, জনমত, নির্বাচকমন্ডলী, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার অন্তর্ভূক্ত।

৪. রাজনৈতিক ঘটনাবলি ঃ

পৌরনীতি ও সুশাসন রাজনৈতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করে। যেমন−

বাংলাদেশে পৌরনীতি ও সুশাসন পলাশীর যুদ্ধ, সিপাহী বিদ্রোহ, ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, সামরিক অভ্যূত্থান ইত্যাদি রাজনৈতিক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করে।

৫। সুশাসন সম্পর্কে আলোচনা ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন রাষ্ট্রের সুশাসন এর বহুমাত্রিক ধারণা সম্পর্কে আলোচনা সমালোচনা করে। সুশাসন এর উপাদান, সুশাসন এর সমস্যা, সুশাসনের সমস্যার কিভাবে সমাধান করা যায়, সুশাসনের সমস্যা সমাধানে সরকার ও জনগণের ভূমিকা সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে।

৬। নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যের বর্তমান স্বরূপ সম্পর্কে আলোচনা করে এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নাগরিক জীবনের স্বরূপ সম্পর্কে ইঙ্গিত প্রদান করে।

আইনের শাসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমানাধিকার, জনগণের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি ও সুরক্ষা এবং কার্যকর সংসদ, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের কাঙ্খিত সেবা তাদের কাছে পৌঁছে দেয়াই হচ্ছে সুশাসন।

সুশাসনের বৈশিষ্ট গুলো হচ্ছে –

১।    জবাবদিহিতা: অর্থাৎ জবাবদিহির মাধ্যমে একটি সমাজ এবং একটি সরকার গঠিত হবে সরকার তার কাজকর্মের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে।

২।    অংশগ্রহণ: জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই রাষ্ট্রীয় কাজে সমান ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

৩।    আইনের শাসন: রাষ্ট্রীয় আইনের শাসন বহাল থাকবে অর্থাৎ ক্ষমতাবলে বা আত্মীয় এর ভিত্তিতে আইনের শাসন ভেঙে যাবে না।

৪।    একতা: রাষ্ট্রের জনগণ সকলেই একটি পরিবারে আবদ্ধ তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তার কাজে এগিয়ে আসতে হবে।

৫।    মানবাধিকারের প্রতি সম্মান: মানবাধিকার রক্ষা রাষ্ট্রের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। তাই মানবাধিকার এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

৬।    স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা: স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার একটি রাষ্ট্রের মূল চাবিকাঠি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা না থাকলে অন্যায়কারী শাস্তি পাবে না এবং নির্দোষ ব্যক্তিরা শাস্তি পাবে।

৭।    স্বচ্ছতা: স্বচ্ছতা না থাকলে রাষ্ট্রের শাসন, সুশাসন, মানবাধিকার, বিচারব্যবস্থা সব কিছুই ভেঙে যায়।

৮।    দূর্নীতির অপব্যবহার: দুর্নীতি যদি রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যায় তখন রাষ্ট্রের উন্নতি রন্ধে রন্ধে থেকে বের হয়ে আসে। তাই দুর্নীতিকে না বলতে হবে।

৯।    ‌তথ্য অধিকার: রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সকল ব্যক্তি তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখে।

১০।  প্রশাসনিক দক্ষতা: রাষ্ট্রের প্রশাসনিক দক্ষতা বেশি থাকবে রাষ্ট্রের প্রশাসন এবং বেসামরিক বাহিনী তত শক্তিশালী হবে।

১১।  প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা: প্রশাসন যদি স্বচ্ছ না হয়, তাহলে রাষ্ট্রে সকল ধরনের অন্যায় কাজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রশাসনকে অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে।

১২. মেধাভিত্তিক সরকারী চাকুরী: যদি রাজনৈতিক কারণে অথবা সামাজিক অথবা পারিবারিক কারণে চাকুরীর ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয়া হয় তাহলে যোগ্য ব্যক্তিরা চাকুরী থেকে বঞ্চিত হবে।

পৌরনীতি ও সুশাসন এর ক্রমবিকাশ:

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ ছাড়া সে একা বসবাস করতে পারে না। অতীতে সমাজবদ্ধ মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন নিয়ম -রীতি -নীতি প্রচলিত ছিল। প্রাচীন গ্রিসের নগররাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে ছিল বিধিবিধান বা নিয়মকানুন। যদিও প্রাচীন গ্রিসে শুধুমাত্র যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহন করত, তাদেরকেই বলা হত নাগরিক। এবং নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে জ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হতো তাকে বলা হতো পৌরনীতি। ভারতবর্ষে নগরকে বলা হত পুর বা পুরী এবং এর অধিবাসীদের বলা হত পুরবাসী। তাদের নাগরিক জীবনকে বলা হত পৌরজীবন ও নগর জীবন সম্পর্কিত বিদ্যার নাম ছিল পৌরনীতি।

অতীতে শাসকদের মূল লক্ষ্য ছিল জনগনের কল্যাণ সাধন। এরিষ্টটল তার গুরু প্লেটোকে অনুসরণ করে সরকারের যে শ্রেনীবিভাগই করেছিলেন তা সরকারের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। রাষ্ট্রের জনগনের কল্যানে যে সরকার শাসন পরিচালনা করতো তাকে তিনি স্বাভাবিক সরকার এবং প্রজাদের কল্যানের কথা চিন্তা না করে যে সরকার ব্যক্তিস্বার্থ  চরিতার্থ করার জন্য শাসন পরিচালনা করতো তাকে বিকৃত সরকার বলে অভিহিত করেছিলেন।

এরিষ্টটলের মতে,

রাষ্ট্রের প্রধানতম ও পবিত্রতম লক্ষ্য নাগরিকদের জন্য উন্নততর ও কল্যানকর জীবনের জন্য কাজ করা এবং নৈতিক উৎকর্ষতা সাধন করা।

প্রাচীন গ্রীসের নগররাষ্ট্র আজ আর নেই। আধুনিক রাষ্ট্রগুলো আয়তনে যেমন বিশাল, তেমনি জনসংখ্যায়ও বেশী। এসব রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবন এবং কার্যাবলি বহুমুখী ও জটিল। আধুনিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের এই জটিল আচরণ এবং তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জ্ঞানের যে শাখা বর্তমানে আলোচনা করে তাই পৌরনীতি।

আধুনিক রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো মানবকল্যান। এজন্য অধিকাংশ রাষ্ট্রকেই জনকল্যানমুলক রাষ্ট্র বলা হয়। বর্তমান আধুনিক রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। সুশাসন একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না। সুশাসনের ধারণাও একদিনে গড়ে ওঠেনি, ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি, বিকেন্দ্রীকরণ নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি, মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের দাবি আজ ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এর ফলে সুশাসন বিষয়টি আজ পৌরনীতিতে গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পৌরনীতি এবং সুশাসন এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই প্রতিনিয়ত এর বিকাশ হচ্ছে। পরিধি বাড়ছে এবং ক্রমবিন্যাস সাধিত হচ্ছে।

পরিশেষে সুশাসন এবং পৌরনীতি একটি জাতি বা রাষ্ট্র গঠনে এবং সঠিকভাবে রাষ্ট্রকে পরিচালনা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের সকলকেই সুশাসন এর দিকে নজর রাখতে হবে। সুশাসনের বৈশিষ্ট্য এর দিকে খেয়াল রেখে রাষ্ট্রকে পরিচালনা করতে হবে। তাহলে পৌরনীতি এবং সুশাসন তার আসল সংজ্ঞা খুঁজে পাবে।

নাগরিক সভ্যতা ও ক্রমবিকাশে পৌরনীতি এবং সুশাসনের ধারণা

আশা করি উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তোমরা hsc assignment 2021 Civics Answer বুঝতে পেরেছ। পরবর্তী অ্যাসাইনমেন্ট গুলো পেতে আমাদের ওয়েবসাইট তোমাদের ডেস্কটপ বা মোবাইলের বুকমার্ক করে রাখো। তাহলে খুব সহজে আমাদের ওয়েবসাইট পাবে এবং সকল বিষয়ের hsc assignment 2021 পাবে।

আমাদের পরবর্তী hsc assignment 2021 Answer পেতে ভিজিট করুন এখানে

4 thoughts on “HSC Civics Assignment 2021 Answer with pdf”

Leave a Comment